গাইড
ক্রিকেট খেলার নিয়ম: নতুনদের জন্য সহজ বাংলায় পুরো গাইড

সংক্ষেপে উত্তর: ক্রিকেট খেলার নিয়ম অনুযায়ী ১১ জন করে দুই দল পালা করে ব্যাট ও বল করে। ২২ গজের পিচে ব্যাটাররা দৌড়ে বা বাউন্ডারি মেরে রান তোলে, আর বোলিং দল ৬ বলের ওভারে ব্যাটারদের আউট করার চেষ্টা করে। বর্তমান আইনে আউট হওয়ার ৯টি পদ্ধতি আছে। যে দল বেশি রান করে সে জেতে; টেস্টে সময় শেষ হলে ম্যাচ ড্রও হতে পারে।
নতুন দর্শকদের জন্য ক্রিকেট খেলার নিয়ম প্রথমে একটু জটিল মনে হতে পারে। এলবিডব্লিউ, নো-বল, ফলো-অন বা পাওয়ারপ্লে, এমন অনেক শব্দ খেলার সময় বারবার শোনা যায়। এই গাইডে মাঠ ও সরঞ্জাম থেকে শুরু করে রান কীভাবে হয়, ক্রিকেট আউটের নিয়ম, অতিরিক্ত রান, ফরম্যাটের পার্থক্য আর আম্পায়ারের ভূমিকা সহজ বাংলায় ধাপে ধাপে সাজানো হয়েছে। ক্রিকেটের আইন তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করে লন্ডনের মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি), আর আন্তর্জাতিক ম্যাচের খেলার শর্ত ঠিক করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
ক্রিকেট কী: খেলার মূল ধারণা
ক্রিকেট ব্যাট ও বলের একটি দলগত খেলা। এক দল ব্যাট করে রান তোলে, অন্য দল বল করে ও ফিল্ডিং করে রান আটকায় এবং উইকেট নেয়। এক দলের ব্যাটিংয়ের পালাকে বলে ইনিংস। দশজন ব্যাটার আউট হলে বা নির্ধারিত ওভার শেষ হলে ইনিংস শেষ হয়, কারণ শেষ ব্যাটারের সঙ্গী না থাকলে আর খেলা চলে না। খেলাটির ইতিহাস ও বিস্তার সম্পর্কে আরও জানতে বাংলা উইকিপিডিয়ার ক্রিকেট নিবন্ধ দেখতে পারেন।
দল, মাঠ ও সরঞ্জাম
দল ও খেলোয়াড়
প্রতিটি দলে মাঠে ১১ জন খেলোয়াড় থাকে। দলে সাধারণত ব্যাটার, বোলার, অলরাউন্ডার আর একজন উইকেটকিপার থাকেন। অধিনায়ক টস, ফিল্ডিং সাজানো ও বোলিং পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। বিভিন্ন দেশের দলের বাংলা ডাকনাম জানতে আমাদের ক্রিকেট দলের নাম বাংলায় তালিকাটি দেখুন।
মাঠ ও পিচ
মাঠের মাঝখানে থাকে ২২ গজ (২০.১২ মিটার) লম্বা ও ১০ ফুট চওড়া পিচ। পিচের দুই প্রান্তে তিনটি করে স্টাম্প ও তার ওপর দুটি বেল নিয়ে উইকেট দাঁড়ায়। পিচের ওপর আঁকা দাগগুলোকে বলে ক্রিজ, যার মধ্যে পপিং ক্রিজ রান আউট ও স্টাম্পিংয়ের সিদ্ধান্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পিচ সব মাঠে একই মাপের হলেও বাউন্ডারির দূরত্ব মাঠভেদে আলাদা হয়; বিস্তারিত মাপ পাবেন ক্রিকেট মাঠের মাপ নিয়ে আমাদের গাইডে। ইংরেজিতে পিচ, ৩০ গজের বৃত্ত ও বাউন্ডারির একটি সহজ ব্যাখ্যা আছে ক্রিকেট মাঠের পিচ, বৃত্ত ও বাউন্ডারি শিরোনামের লেখায়।
ব্যাট, বল ও সুরক্ষা সরঞ্জাম
| সরঞ্জাম | নিয়ম অনুযায়ী মাপ |
|---|---|
| ব্যাট | সর্বোচ্চ ৩৮ ইঞ্চি (৯৬.৫২ সেমি) লম্বা ও ৪.২৫ ইঞ্চি (১০.৮ সেমি) চওড়া |
| বল (পুরুষ) | ওজন ১৫৫.৯ থেকে ১৬৩ গ্রাম |
| স্টাম্প | উচ্চতা ২৮ ইঞ্চি (৭১.১২ সেমি), উইকেটের প্রস্থ ৯ ইঞ্চি |
| সুরক্ষা | হেলমেট, প্যাড, গ্লাভস ও থাই গার্ড; উইকেটকিপারের বিশেষ গ্লাভস |
টেস্ট ক্রিকেটে সাধারণত লাল বল, সাদা বলের ক্রিকেটে সাদা বল আর দিন-রাতের টেস্টে গোলাপি বল ব্যবহার হয়।
টস ও ম্যাচ শুরুর নিয়ম
ম্যাচের আগে দুই অধিনায়কের মধ্যে টস হয়। টস জেতা অধিনায়ক ঠিক করেন আগে ব্যাট করবেন নাকি বল করবেন। পিচের অবস্থা, আবহাওয়া আর সন্ধ্যার শিশির এই সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখে। ব্যাটিং দলের দুইজন ব্যাটার মাঠে নামেন; একজন স্ট্রাইকার, যিনি বল খেলেন, আরেকজন নন-স্ট্রাইকার, যিনি বোলারের প্রান্তে দাঁড়ান।
ক্রিকেটে রান কিভাবে হয়
- দৌড়ে রান: বল খেলার পর দুই ব্যাটার পিচের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছালে এক রান হয়। যতবার পৌঁছাবেন, ততগুলো রান।
- চার: বল মাটি ছুঁয়ে বা গড়িয়ে বাউন্ডারি পার হলে ৪ রান।
- ছয়: বল মাটি না ছুঁয়ে সরাসরি বাউন্ডারির বাইরে পড়লে ৬ রান।
- অতিরিক্ত রান: নো-বল, ওয়াইড, বাই, লেগ বাই ও পেনাল্টি থেকে আসা রান, যা দলের খাতায় যোগ হয় (নিচে বিস্তারিত)।
বিজোড় সংখ্যক রান নিলে ব্যাটাররা প্রান্ত বদলান, ফলে পরের বল অন্যজন খেলেন। প্রতিটি ওভার শেষে বোলিং প্রান্তও বদলে যায়।
ওভার ও বোলিংয়ের নিয়ম
একজন বোলার পরপর ৬টি বৈধ বল করলে এক ওভার হয়। একই বোলার পরপর দুই ওভার করতে পারেন না। বল করার সময় হাত সোজা রেখে ছুড়তে হয়; কনুই অতিরিক্ত বাঁকিয়ে বল ছোড়া অবৈধ। ওয়ানডেতে একজন বোলার সর্বোচ্চ ১০ ওভার আর টি-টোয়েন্টিতে ৪ ওভার করতে পারেন; টেস্টে এমন কোনো সীমা নেই।
ক্রিকেট আউটের নিয়ম: ৯ ধরনের আউট
অনেক পুরোনো বইয়ে ১০ ধরনের আউটের কথা লেখা থাকে। ২০১৭ সালের নতুন আইনে “হ্যান্ডলড দ্য বল” আলাদা আউট হিসেবে বাদ দিয়ে “অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড”-এর মধ্যে যুক্ত করা হয়েছে। তাই এখন আউটের পদ্ধতি ৯টি। প্রতিটি আউটের আইনি ব্যাখ্যা এমসিসির অফিসিয়াল ক্রিকেট আইন-এ বিস্তারিত দেওয়া আছে।
| আউটের ধরন | কখন হয় |
|---|---|
| বোল্ড | বোলারের বল সরাসরি বা ব্যাট-প্যাডে লেগে স্টাম্প ভাঙলে |
| ক্যাচ | ব্যাট বা গ্লাভসে লাগা বল মাটিতে পড়ার আগে ফিল্ডার ধরলে |
| এলবিডব্লিউ | বল ব্যাটে না লেগে শরীরে লাগল, কিন্তু না আটকালে স্টাম্পে লাগত |
| রান আউট | রান নেওয়ার সময় ব্যাটার ক্রিজে পৌঁছানোর আগেই উইকেট ভাঙলে |
| স্টাম্পড | ব্যাটার ক্রিজের বাইরে থাকা অবস্থায় উইকেটকিপার উইকেট ভাঙলে |
| হিট উইকেট | ব্যাটার নিজের ব্যাট বা শরীর দিয়ে উইকেট ভেঙে ফেললে |
| হিট দ্য বল টোয়াইস | স্টাম্প রক্ষা ছাড়া অন্য কারণে ইচ্ছাকৃতভাবে বল দুবার মারলে |
| অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড | ইচ্ছাকৃতভাবে কথা বা কাজে ফিল্ডিংয়ে বাধা দিলে বা হাত দিয়ে বল ধরলে |
| টাইমড আউট | আগের ব্যাটার আউট হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন ব্যাটার প্রস্তুত না হলে |
এলবিডব্লিউ সংক্ষেপে
এলবিডব্লিউ সিদ্ধান্তে আম্পায়ার দেখেন বল কোথায় পিচ করেছে, কোথায় প্যাডে লেগেছে আর বলটি স্টাম্পে যেত কিনা। লেগ স্টাম্পের বাইরে পিচ করলে এলবিডব্লিউ হয় না। পুরো নিয়ম ও ব্যতিক্রমগুলো ছবি সহ পাবেন আমাদের এলবিডব্লিউ নিয়মের বিস্তারিত গাইডে।
টাইমড আউট ও নন-স্ট্রাইকার রান আউট
এমসিসির আইনে নতুন ব্যাটারকে ৩ মিনিটের মধ্যে বল খেলার জন্য প্রস্তুত হতে হয়, তবে আইসিসির আন্তর্জাতিক খেলার শর্তে এই সময় ২ মিনিট। ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম টাইমড আউট হন। আর বোলার বল ছাড়ার আগে নন-স্ট্রাইকার ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে গেলে তাঁকে রান আউট করার নিয়মটি ২০২২ সাল থেকে “অন্যায্য খেলা”র অংশ নয়, বরং সাধারণ রান আউটের আইনের অংশ।
অতিরিক্ত রান: নো-বল, ওয়াইড, বাই ও লেগ বাই
- নো-বল: বোলারের সামনের পা পপিং ক্রিজের পেছনে না থাকলে, কোমরের ওপর দিয়ে সরাসরি ফুলটস গেলে বা অন্য নিয়ম ভাঙলে। ১ রান যোগ হয়, আর সীমিত ওভারের ম্যাচে পরের বলটি ফ্রি হিট, যাতে রান আউট ছাড়া প্রায় কোনোভাবে আউট হয় না।
- ওয়াইড: বল ব্যাটারের নাগালের অনেক বাইরে দিয়ে গেলে। ১ রান যোগ হয় এবং বলটি আবার করতে হয়।
- বাই: বল ব্যাট বা শরীরে না লেগে চলে গেলে ব্যাটাররা দৌড়ে যে রান নেন।
- লেগ বাই: বল শরীরে লেগে যাওয়ার পর দৌড়ে নেওয়া রান, যদি ব্যাটার শট খেলার বা বল এড়ানোর চেষ্টা করে থাকেন।
- পেনাল্টি রান: বল বিকৃত করা বা ইচ্ছাকৃত সময় নষ্টের মতো অপরাধে প্রতিপক্ষ দল ৫ রান পায়।
ক্রিকেটের ফরম্যাট: টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি
মৌলিক নিয়ম একই থাকলেও তিন ফরম্যাটে সময়, ওভার আর কৌশল আলাদা। টেস্ট ম্যাচ সর্বোচ্চ পাঁচ দিন চলে এবং প্রতিটি দল দুবার ব্যাট করে; সময় শেষে দুই দল অলআউট না হলে ম্যাচ ড্র হয়। ওয়ানডেতে প্রতিটি দল ৫০ ওভার আর টি-টোয়েন্টিতে ২০ ওভার করে খেলে। পাওয়ারপ্লে, ফলো-অন ও বোলারের ওভার সীমার মতো পার্থক্যগুলো এক টেবিলে পাবেন আমাদের টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে ও টেস্টের নিয়মের তুলনায়।
টেস্ট ক্রিকেটের দিন, সেশন আর ফলাফল কীভাবে কাজ করে, তা নতুন দর্শকদের জন্য ইংরেজিতে সাজানো আছে নতুনদের জন্য টেস্ট ক্রিকেটের ব্যাখ্যা লেখায়। এই মাসেই ঘরের মাঠে চলছে বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজ, যা টেস্টের নিয়মগুলো হাতে-কলমে বোঝার ভালো সুযোগ।
ফিল্ডিংয়ের নিয়ম
উইকেটকিপার ছাড়া অন্য কোনো ফিল্ডার গ্লাভস পরতে পারেন না। লেগ সাইডে স্কয়ার লেগের পেছনে একসঙ্গে দুজনের বেশি ফিল্ডার রাখা যায় না। সীমিত ওভারের ম্যাচে পাওয়ারপ্লের সময় ৩০ গজের বৃত্তের বাইরে কতজন ফিল্ডার থাকতে পারবেন, তা আইসিসির শর্তে নির্দিষ্ট করা আছে। ফিল্ডার বাউন্ডারির বাইরে পা রেখে বল ধরলে সেটি ক্যাচ নয়, বরং ছয় হিসেবে গণ্য হয়।
আম্পায়ার, ম্যাচ রেফারি ও ডিআরএস
মাঠে দুজন অন-ফিল্ড আম্পায়ার থাকেন, যাঁরা আউট, নো-বল, ওয়াইড ও বাউন্ডারির সিদ্ধান্ত দেন। আন্তর্জাতিক ম্যাচে টিভি রিপ্লে দেখে সিদ্ধান্ত দেন তৃতীয় আম্পায়ার, আর খেলোয়াড়দের আচরণ ও শাস্তির বিষয় দেখেন ম্যাচ রেফারি। খেলার শর্তগুলো প্রকাশ করে আইসিসি তার প্লেয়িং কন্ডিশনস পাতায়।
ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস) দিয়ে খেলোয়াড়রা আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করতে পারেন; বল-ট্র্যাকিং, এজ শনাক্তকরণ আর রিপ্লে মিলিয়ে তৃতীয় আম্পায়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন। “আম্পায়ার্স কল” কী এবং রিভিউ কখন নষ্ট হয়, তা ইংরেজিতে সহজভাবে বলা আছে ডিআরএস কীভাবে কাজ করে শিরোনামের লেখায়।
ম্যাচের ফলাফল কীভাবে নির্ধারিত হয়
- জয়: যে দল বেশি রান করে। পরে ব্যাট করা দল জিতলে “এত উইকেটে জয়”, আগে ব্যাট করা দল জিতলে “এত রানে জয়” বলা হয়।
- টাই: দুই দলের রান সমান হলে। সীমিত ওভারের অনেক টুর্নামেন্টে টাই হলে সুপার ওভারে ফল নির্ধারিত হয়।
- ড্র: শুধু টেস্ট বা বহুদিনের ম্যাচে, সময় শেষ হলেও ফল না হলে।
- পরিত্যক্ত বা ফলহীন: বৃষ্টি বা অন্য কারণে প্রয়োজনীয় ওভার খেলা না হলে। বৃষ্টিতে ছোট হওয়া সীমিত ওভারের ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন (ডিএলএস) পদ্ধতিতে লক্ষ্য ঠিক হয়।
নতুন দর্শকদের জন্য কয়েকটি টিপস
- প্রথমে শুধু রান, উইকেট আর ওভার এই তিনটি সংখ্যা অনুসরণ করুন।
- টেলিভিশনে রিপ্লে দেখার সময় আম্পায়ারের ইশারা খেয়াল করুন: এক আঙুল মানে আউট, দুই হাত ছড়ানো মানে ওয়াইড।
- পরিচিত দলের খেলা দিয়ে শুরু করুন; বাংলাদেশের আসন্ন ম্যাচগুলো পাবেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের ২০২৬ সূচিতে।
- খেলা চলাকালীন স্কোর অনুসরণ করতে আমাদের লাইভ ক্রিকেট আপডেট পাতা কাজে লাগাতে পারেন।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের খবর ও ঘরোয়া ক্রিকেটের তথ্য পাবেন বিসিবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।
শেষ কথা
ক্রিকেট খেলার নিয়ম আসলে কয়েকটি মূল ধারণার ওপর দাঁড়িয়ে: ১১ জনের দল, ২২ গজের পিচ, ৬ বলের ওভার, রান তোলার উপায় আর ৯ ধরনের আউট। এগুলো বুঝে গেলে টেস্ট, ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি, যেকোনো ম্যাচ উপভোগ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। আরও সহজ বাংলায় ক্রিকেটের খবর ও নিয়ম জানতে ঘুরে আসুন 9wicketcricket.com হোমপেজে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
ক্রিকেটে কত ধরনের আউট আছে?
বর্তমান আইনে ৯ ধরনের আউট আছে: বোল্ড, ক্যাচ, এলবিডব্লিউ, রান আউট, স্টাম্পড, হিট উইকেট, হিট দ্য বল টোয়াইস, অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড ও টাইমড আউট। ২০১৭ সালে হ্যান্ডলড দ্য বল আলাদা আউট হিসেবে বাদ দেওয়া হয়েছে।
ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য কত?
দুই উইকেটের মাঝের পিচ ২২ গজ বা ২০.১২ মিটার লম্বা এবং ১০ ফুট চওড়া। তবে বাউন্ডারির দূরত্ব মাঠভেদে আলাদা হয়।
নো-বল হলে কী হয়?
নো-বলে ব্যাটিং দল ১ রান পায় এবং বলটি ওভারে গোনা হয় না। সীমিত ওভারের ম্যাচে পরের বলটি ফ্রি হিট, যাতে রান আউট ছাড়া প্রায় কোনোভাবে আউট হয় না।
এক ওভারে কয়টি বল থাকে?
এক ওভারে ৬টি বৈধ বল থাকে। নো-বল বা ওয়াইড হলে সেই বল আবার করতে হয়, তাই এক ওভারে মোট বল ৬টির বেশি হতে পারে।
টেস্ট ম্যাচ কেন ড্র হয়?
টেস্ট ম্যাচ সর্বোচ্চ পাঁচ দিনের। এই সময়ের মধ্যে কোনো দল জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান না তুললে বা প্রতিপক্ষের সব উইকেট নিতে না পারলে ম্যাচ ড্র হয়।
আরও পড়ুন
সম্পর্কিত গাইড

বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজ ২০২৬: সূচি, স্কোয়াড ও হেড-টু-হেড
সংক্ষেপে উত্তর: বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজ ২০২৬-এ মোট দুটি ম্যাচ। প্রথম টেস্ট ২৮ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে,…
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুন
বাংলাদেশের খেলার সূচি: অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬, সব ম্যাচ বাংলাদেশ সময়ে
বাংলাদেশ ক্রিকেট খেলার সময়সূচি ২০২৬-এর শেষ তিন মাস বেশ ব্যস্ত। অক্টোবরে আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ, তারপর ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই টেস্ট,…
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুন
টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেট: তিন ফরম্যাটের নিয়মের পার্থক্য সহজ বাংলায়
সর্বশেষ আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬ · লিখেছেন 9wickets team T20 vs ODI vs টেস্ট ক্রিকেটের নিয়মের পার্থক্য মূলত তিন জায়গায়: ম্যাচ কতক্ষণ চলে (২০…
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুনএই গাইড কাজে লাগানোর সময় এখনই
বিকাশ, নগদ বা রকেট দিয়ে 9Wickets অ্যাকাউন্ট খুলুন, অথবা সাহায্য লাগলে সরাসরি সাপোর্টে কথা বলুন।