গাইড
ক্রিকেট মাঠের মাপ: মাঠ, পিচ, ক্রিজ, বল ও ব্যাটের সব মাপ এক জায়গায়

ক্রিকেট মাঠের মাপ জানতে চাইলে সাধারণত একটা প্রশ্নে থেমে থাকা যায় না। মাঠ কত বড়, পিচ কত লম্বা, ক্রিজ কোথায় টানতে হয়, স্টাম্প কত উঁচু, বল আর ব্যাটের সীমা কত, সবই একসঙ্গে দরকার হয়, বিশেষ করে পাড়া বা স্কুলের মাঠ তৈরি করতে গেলে। এই লেখায় ক্রিকেটের আইন রক্ষাকারী সংস্থা এমসিসি (MCC) আর আইসিসির নিয়ম ধরে সব মাপ এক জায়গায় দেওয়া হলো, মিটার আর ফুট-ইঞ্চি দুই এককেই।
শুরুতেই একটা কথা জেনে রাখা ভালো: পিচ, ক্রিজ, স্টাম্প, বল আর ব্যাটের মাপ আইনে নির্দিষ্ট করা। কিন্তু পুরো মাঠ বা বাউন্ডারির কোনো একক বাঁধা মাপ নেই। আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য আইসিসি শুধু একটা সর্বোচ্চ আর সর্বনিম্ন সীমা দিয়েছে।
ক্রিকেট মাঠের মাপ: দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও বাউন্ডারি
ক্রিকেট মাঠ সাধারণত ডিম্বাকার বা প্রায় গোল। ফুটবল মাঠের মতো নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য-প্রস্থ নেই, তাই একেক মাঠ একেক আকারের হয়। মাপটা ধরা হয় পিচের মাঝখান থেকে বাউন্ডারি দড়ি পর্যন্ত।
আইসিসির পুরুষদের আন্তর্জাতিক ম্যাচের খেলার শর্ত অনুযায়ী:
- পিচের মাঝখান থেকে কোনো বাউন্ডারি ৯০ গজ (৮২.২৯ মিটার)-এর বেশি দূরে হবে না।
- বাউন্ডারি ৬৫ গজ (৫৯.৪৩ মিটার)-এর কম হওয়া উচিত নয়।
- আগে থেকে আন্তর্জাতিক ম্যাচের অনুমোদন পাওয়া কোনো মাঠ ন্যূনতম মাপ পূরণ করতে না পারলে ছাড় পায়, তবে সেখানেও যতটা সম্ভব বড় মাঠ রাখতে হয়।
- বাউন্ডারি দড়ি দেয়াল বা বিজ্ঞাপন বোর্ড থেকে অন্তত ৩ গজ (২.৭৪ মিটার) ভেতরে রাখতে হয়।
অর্থাৎ একটি আন্তর্জাতিক মাঠে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের দূরত্ব মোটামুটি ১৩০ থেকে ১৮০ গজের মধ্যে পড়ে, কারণ পিচ মাঠের ঠিক মাঝখানে না-ও থাকতে পারে। ছোট বাউন্ডারির মাঠে ছক্কা বেশি হয়, বড় মাঠে কম। ম্যাচের রান কেমন হতে পারে, তা বোঝার সময় অনেকেই এই কারণে মাঠের আকার দেখেন। ক্রিকেটের বিভিন্ন বাজার বা মার্কেট কীভাবে কাজ করে, তা জানতে আমাদের স্পোর্টস বেটিং পাতা দেখতে পারেন।
৩০ গজের বৃত্ত
সীমিত ওভারের ম্যাচে মাঠে একটা সাদা দাগ বা চাকতি দিয়ে বৃত্ত আঁকা থাকে। দুই প্রান্তের মাঝের স্টাম্প থেকে ৩০ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে দুটো অর্ধবৃত্ত টেনে সোজা দাগে জোড়া দিয়ে এটা তৈরি হয়। পাওয়ারপ্লে আর ফিল্ডিং বিধিনিষেধ এই বৃত্ত ধরেই গোনা হয়।
মাঠের বিভিন্ন অংশ ও ফিল্ডিং পজিশন
মাপ বোঝার জন্য মাঠকে সাধারণত তিন ভাগে দেখা হয়:
| অংশ | কোথায় | কী কাজে লাগে |
|---|---|---|
| ক্লোজ ইনফিল্ড | ব্যাটারের আশপাশে, মোটামুটি ১৫ গজের মধ্যে | স্লিপ, গালি, শর্ট লেগের মতো ক্যাচ ধরার জায়গা |
| ইনফিল্ড | ৩০ গজের বৃত্তের ভেতরে | এক রান আটকানো আর রান আউটের সুযোগ |
| আউটফিল্ড | বৃত্তের বাইরে থেকে বাউন্ডারি পর্যন্ত | চার-ছক্কা আটকানো আর উঁচু ক্যাচ |
ডানহাতি ব্যাটারের দিক থেকে মাঠের দুটি পাশ থাকে। ব্যাটারের সামনের দিকটা অফ সাইড, পেছনের দিকটা লেগ বা অন সাইড। প্রচলিত ফিল্ডিং পজিশনগুলো এভাবে ভাগ করা যায়:
- অফ সাইডে: স্লিপ, গালি, পয়েন্ট, কভার, এক্সট্রা কভার, মিড-অফ, থার্ড ম্যান, লং-অফ।
- লেগ সাইডে: শর্ট লেগ, স্কয়ার লেগ, মিড-উইকেট, মিড-অন, ফাইন লেগ, ডিপ মিড-উইকেট, লং-অন।
বাঁহাতি ব্যাটার এলে পুরো ছকটা আয়নার মতো উল্টে যায়। মাঠ যত বড়, আউটফিল্ডের ফিল্ডারদের তত বেশি জায়গা পাহারা দিতে হয়, তাই বড় মাঠে অধিনায়ক সাধারণত বেশি ফিল্ডার বৃত্তের বাইরে রাখেন।
পিচের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ
মাঠের মাঝের শক্ত, ছাঁটা ঘাসের লম্বা অংশটাই পিচ। এমসিসির আইন ৬ অনুযায়ী পিচের মাপ হলো:
| অংশ | মাপ (ফুট/গজ) | মাপ (মিটার) |
|---|---|---|
| পিচের দৈর্ঘ্য (দুই বোলিং ক্রিজের মাঝে) | ২২ গজ (৬৬ ফুট) | ২০.১২ মিটার |
| পিচের প্রস্থ | ১০ ফুট | ৩.০৫ মিটার |
| মাঝের স্টাম্প থেকে পিচের পাশের সীমা | ৫ ফুট | ১.৫২ মিটার |
| কৃত্রিম (নন-টার্ফ) পিচের ন্যূনতম দৈর্ঘ্য | ৫৮ ফুট | ১৭.৬৮ মিটার |
| কৃত্রিম পিচের ন্যূনতম প্রস্থ | ৬ ফুট | ১.৮৩ মিটার |
একটা জিনিস অনেকে গুলিয়ে ফেলেন। ২২ গজ মাপা হয় দুই প্রান্তের বোলিং ক্রিজ, অর্থাৎ স্টাম্পের লাইন, থেকে। ব্যাটার যে পপিং ক্রিজে দাঁড়ান, তার মাঝের দূরত্ব এর চেয়ে ৮ ফুট কম। ছোটদের ক্রিকেটে পিচের দৈর্ঘ্য প্রতিটি দেশের ক্রিকেট বোর্ড ঠিক করে দেয়।
ক্রিজের মাপ: বোলিং, পপিং ও রিটার্ন ক্রিজ
পিচের দুই প্রান্তে তিন ধরনের সাদা দাগ থাকে। এমসিসির আইন ৭-এ ক্রিজের মাপ দেওয়া আছে:
- বোলিং ক্রিজ: স্টাম্পের সারি বরাবর টানা দাগ, দৈর্ঘ্য ৮ ফুট ৮ ইঞ্চি (২.৬৪ মিটার)।
- পপিং ক্রিজ: বোলিং ক্রিজের ৪ ফুট (১.২২ মিটার) সামনে, সমান্তরালে। মাঝের স্টাম্পের লাইনের দুই পাশে অন্তত ৬ ফুট (১.৮৩ মিটার) করে টানতে হয়, তবে আইনে এর দৈর্ঘ্য সীমাহীন ধরা হয়।
- রিটার্ন ক্রিজ: পপিং ক্রিজের সঙ্গে সমকোণে, মাঝের স্টাম্পের লাইন থেকে দুই পাশে ৪ ফুট ৪ ইঞ্চি (১.৩২ মিটার) দূরে। পপিং ক্রিজ থেকে পেছনে অন্তত ৮ ফুট (২.৪৪ মিটার) টানতে হয়।
পপিং ক্রিজ দিয়েই রান আউট আর স্টাম্পিং ঠিক হয়, আর বোলারের সামনের পায়ের কিছু অংশ এর পেছনে না থাকলে নো বল হয়। রিটার্ন ক্রিজ ঠিক করে, বোলার পাশ দিয়ে কতটা চওড়া থেকে বল করতে পারবেন।
স্টাম্প ও বেলের মাপ
ক্রিকেট মাঠের মাপের মধ্যে সবচেয়ে ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো উইকেট। আইন ৮ অনুযায়ী উইকেটের মাপ:
| অংশ | মাপ (ইঞ্চি) | মাপ (সেন্টিমিটার) |
|---|---|---|
| স্টাম্পের উচ্চতা (মাটির ওপর) | ২৮ ইঞ্চি | ৭১.১২ সেমি |
| তিন স্টাম্পসহ উইকেটের প্রস্থ | ৯ ইঞ্চি | ২২.৮৬ সেমি |
| প্রতিটি স্টাম্পের ব্যাস | ১.৩৮ থেকে ১.৫ ইঞ্চি | ৩.৫০ থেকে ৩.৮১ সেমি |
| বেলের পুরো দৈর্ঘ্য | ৪.৩১ ইঞ্চি | ১০.৯৫ সেমি |
| স্টাম্পের ওপরে বেল সর্বোচ্চ যতটা উঁচু থাকবে | ০.৫ ইঞ্চি | ১.২৭ সেমি |
ক্রিকেট বলের ওজন ও পরিধি
এমসিসির আইন ৪-এ বলের মাপ তিন আকারে ভাগ করা। কোন খেলায় কোন আকার, তা সংশ্লিষ্ট বোর্ড বা প্রতিযোগিতা ঠিক করে। সাধারণভাবে বড়দের পুরুষ ক্রিকেটে সাইজ ১ ব্যবহার হয়।
| বলের আকার | ওজন (নতুন বল) | পরিধি |
|---|---|---|
| সাইজ ১ | ১৫৬ থেকে ১৬৩ গ্রাম (৫.৫ থেকে ৫.৭৫ আউন্স) | ২২.৪ থেকে ২২.৯ সেমি (৮.৮১ থেকে ৯ ইঞ্চি) |
| সাইজ ২ | ১৪২ থেকে ১৪৯ গ্রাম (৫ থেকে ৫.২৫ আউন্স) | ২১.৫ থেকে ২২ সেমি (৮.৪৬ থেকে ৮.৬৬ ইঞ্চি) |
| সাইজ ৩ | ১৩৩ থেকে ১৪০ গ্রাম (৪.৬৯ থেকে ৪.৮৪ আউন্স) | ২০.৫ থেকে ২১ সেমি (৮.০৭ থেকে ৮.২৭ ইঞ্চি) |
পরিধি থেকে ব্যাস বের করতে চাইলে পরিধিকে ৩.১৪ দিয়ে ভাগ করুন। সাইজ ১ বলের ব্যাস তাই মোটামুটি ৭.১ থেকে ৭.৩ সেন্টিমিটার। পাড়ার টেপ টেনিস বলের ওজন এর চেয়ে অনেক কম, তাই সেটা আইনের মাপের মধ্যে পড়ে না।
ক্রিকেট ব্যাটের মাপ
ব্যাটের দৈর্ঘ্য আর প্রস্থের সর্বোচ্চ সীমা এমসিসির আইন ৫-এ ব্যাটের নিয়মে দেওয়া:
- পুরো দৈর্ঘ্য (হাতলসহ): সর্বোচ্চ ৩৮ ইঞ্চি (৯৬.৫২ সেমি)।
- ব্লেডের প্রস্থ: সর্বোচ্চ ৪.২৫ ইঞ্চি (১০.৮ সেমি)।
- ব্লেডের পুরুত্ব বা গভীরতা: সর্বোচ্চ ২.৬৪ ইঞ্চি (৬.৭ সেমি)।
- কিনারার পুরুত্ব: সর্বোচ্চ ১.৫৬ ইঞ্চি (৪.০ সেমি)।
ব্যাটের ওজনের কোনো সীমা আইনে নেই। খেলোয়াড়রা নিজের শক্তি আর খেলার ধরন অনুযায়ী ওজন বেছে নেন। আন্তর্জাতিক ম্যাচে ব্যাটকে আম্পায়ারের ব্যাট গেজের ভেতর দিয়ে যেতে হয়, যাতে মাপ ঠিক আছে কিনা যাচাই হয়।
পাড়ার মাঠে ক্রিকেট মাঠের মাপ ঠিক করার সহজ উপায়
ঘরোয়া টুর্নামেন্ট বা পাড়ার খেলায় সব মাপ হুবহু মানা সবসময় সম্ভব হয় না। তবু পিচ আর ক্রিজ ঠিক থাকলে খেলাটা অনেক বেশি ন্যায্য হয়। একটা মাপার ফিতা আর চুন বা রং থাকলেই কাজ চলে:
- মাঠের সবচেয়ে সমান অংশ বেছে নিন, যাতে দুই প্রান্তে বাউন্ডারি মোটামুটি সমান দূরে থাকে।
- এক প্রান্তে মাঝের স্টাম্পের জায়গা চিহ্নিত করুন। সেখান থেকে সোজা ২০.১২ মিটার মেপে অন্য প্রান্তের মাঝের স্টাম্পের জায়গা ঠিক করুন।
- প্রতিটি মাঝের স্টাম্পের দুই পাশে ১১.৪৩ সেমি করে মেপে বাকি দুই স্টাম্প বসান, যাতে উইকেট মোট ২২.৮৬ সেমি চওড়া হয়।
- স্টাম্পের লাইন ধরে বোলিং ক্রিজ টানুন, তার ১.২২ মিটার সামনে পপিং ক্রিজ।
- মাঝের স্টাম্পের লাইন থেকে দুই পাশে ১.৩২ মিটার দূরে রিটার্ন ক্রিজ টানুন।
জায়গা কম হলে অনেক ঘরোয়া টুর্নামেন্ট ছোট পিচ ব্যবহার করে। সে ক্ষেত্রে খেলার আগেই সব দলকে মাপটা জানিয়ে দিন। ক্রিকেটের আরও খবর ও গাইড পাবেন 9wicketcricket.com-এ। টুর্নামেন্টের দলের নাম খুঁজছেন? আমাদের ক্রিকেট টিমের সুন্দর নামের তালিকা কাজে লাগতে পারে।
সাধারণ প্রশ্ন: ক্রিকেট মাঠের মাপ
ক্রিকেট মাঠের দৈর্ঘ্য কত?
ক্রিকেট মাঠের কোনো নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য নেই। আন্তর্জাতিক পুরুষ ক্রিকেটে পিচের মাঝখান থেকে বাউন্ডারি ৬৫ থেকে ৯০ গজ (৫৯.৪৩ থেকে ৮২.২৯ মিটার) রাখার নিয়ম আছে।
ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য কত গজ?
পিচের দৈর্ঘ্য ২২ গজ, অর্থাৎ ২০.১২ মিটার বা ৬৬ ফুট। এটা মাপা হয় দুই প্রান্তের বোলিং ক্রিজের মাঝে, আর পিচের প্রস্থ ১০ ফুট (৩.০৫ মিটার)।
ক্রিকেট বলের ওজন কত গ্রাম?
বড়দের পুরুষ ক্রিকেটে ব্যবহৃত সাইজ ১ বলের ওজন নতুন অবস্থায় ১৫৬ থেকে ১৬৩ গ্রাম। ছোট আকারের সাইজ ২ ও সাইজ ৩ বল আরও হালকা।
পপিং ক্রিজ কী?
পপিং ক্রিজ হলো স্টাম্পের লাইনের ১.২২ মিটার (৪ ফুট) সামনের দাগ। রান আউট, স্টাম্পিং আর নো বল এই দাগ ধরেই ঠিক করা হয়।
বাউন্ডারি দড়ি কত দূরে থাকে?
আন্তর্জাতিক পুরুষ ম্যাচে পিচের মাঝখান থেকে ৬৫ থেকে ৯০ গজের মধ্যে, আর দেয়াল বা বোর্ড থেকে অন্তত ৩ গজ ভেতরে। ঘরোয়া খেলায় মাঠের জায়গা অনুযায়ী আয়োজকেরা দূরত্ব ঠিক করেন।
শেষ কথা
ক্রিকেট মাঠের মাপের মধ্যে পিচ, ক্রিজ, স্টাম্প, বল আর ব্যাটের মাপ আইনে নির্দিষ্ট, কিন্তু পুরো মাঠ আর বাউন্ডারির আকার মাঠভেদে আলাদা। মনে রাখার সহজ সূত্র: পিচ ২২ গজ, ক্রিজ ৪ ফুট সামনে, স্টাম্প ২৮ ইঞ্চি উঁচু, বল ১৫৬ থেকে ১৬৩ গ্রাম, ব্যাট সর্বোচ্চ ৩৮ ইঞ্চি। আরও ক্রিকেট গাইড পড়তে আমাদের ব্লগ দেখুন, আর কোনো প্রশ্ন থাকলে সাধারণ জিজ্ঞাসা পাতাটি কাজে লাগবে।
আরও পড়ুন
সম্পর্কিত গাইড

ক্রিকেট টিমের সুন্দর নাম: ১১০+ বাংলা ও ইংরেজি নাম, অর্থসহ
পাড়ার টুর্নামেন্টে নাম জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ, অথচ দলের এগারো জন এখনো একমত হতে পারেননি? এই লেখায় পাবেন ১১০টির বেশি ক্রিকেট টিমের সুন্দর…
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুন
লাইভ ক্যাসিনো with 9WicketCricket: অনলাইন লাইভ গেমিং সম্পর্কে সম্পূর্ণ গাইড
বর্তমান ডিজিটাল বিনোদনের জগতে লাইভ ক্যাসিনো একটি পরিচিত অনলাইন গেমিং ফরম্যাট। বাস্তব সময়ের ডিলার, ইন্টার্যাক্টিভ গেমিং পরিবেশ এবং লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের কারণে এটি সাধারণ…
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুন
9Wicket Cricket – লাইভ ক্রিকেট আপডেট, ম্যাচ কভারেজ ও সম্পূর্ণ গাইড (2026)
9Wicket Cricket, ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা, আর এ কারণেই অনেক ব্যবহারকারী 9Wicket Cricket সম্পর্কে জানতে আগ্রহী। আন্তর্জাতিক ম্যাচ, টি-টোয়েন্টি লিগ, ওয়ানডে সিরিজ কিংবা…
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুনএই গাইড কাজে লাগানোর সময় এখনই
বিকাশ, নগদ বা রকেট দিয়ে 9Wickets অ্যাকাউন্ট খুলুন, অথবা সাহায্য লাগলে সরাসরি সাপোর্টে কথা বলুন।